বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর দ্রুততম মাধ্যম কোনটি

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর দ্রুততম মাধ্যম হল ব্যাংক, বিকাশ বা হুন্ডি মাধ্যম। কোন মাধ্যম সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুততম মাধ্যম সেটি নিয়ে আলোচনা করবো।

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর দ্রুততম মাধ্যম

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর দ্রুততম মাধ্যমের মধ্যে প্রথমটি হল ব্যাংক।

বিদেশ থেকে সব চেয়ে কম সময়ে টাকা পাঠাতে পারবেন ব্যাংক ব্যবহার করে।

এক্ষেত্রে আপনার একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে বাংলাদেশের ইন্ট্যারন্যাশনাল ব্যাংক ট্রান্সফার সাপোর্ট করে সেই ব্যাংক একটি

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর সহজ উপায়

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর কিছু সহজ উপায় নিচে আলোচনা করা হলঃ

বিকাশ

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হল বিকাশ। বিকাশ দিয়ে টাকা পাঠালে সবচেয়ে দ্রুত টাকা আসে। তবে, অনেক ক্ষেত্রে বিকাশ এজেন্টদের কাছে ব্যালেন্স না থাকার কারণে টাকা দেরিতে পাঠায়।

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর দ্রুততম মাধ্যম

বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন আরো কয়েকটা সিস্টেমে।

কার্ড টু বিকাশ

আপনি যদি ইউরোপ থাকেন তবে খুব সহজেই কার্ড থেকে বিকাশে টাকা এড করে দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে চার্জও খুবই কম। মাত্র ১ মিনিটের মধ্যেই কার্ড থেকে বিকাশে টাকা সিতে পারবেন।

ব্যাংক টু বিকাশ

এখন ব্যাংক থেকেও বিকাশে খুব সহজেই টাকা এড করা যায়।

মানিগ্রাম

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর সহজ মাধ্যম হলো মানিগ্রাম ব্যবহার করা। মানিগ্রাম হলো একটি অনলাইনে টাকা পাঠানোর মাধ্যম। এটি একটি ই-কমার্স সেবা যা মানুষদের অনলাইনে টাকা প্রেরণ ও গ্রহণ করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন ধরনের ট্রান্সফার সেবা প্রদান করতে পারে, যেমন মোবাইল ব্যাংকিং, ই-ওয়ালেট, বিল পেমেন্ট ইত্যাদি।

বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর দ্রুততম মাধ্যম

মানিগ্রাম কাজ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার হয়। যেহেতু মানিগ্রাম অর্থ পাঠানোর সেবা, তাই এটি কিছু নির্দিষ্ট রোলস ফলো করে:

১. প্রাপ্তবয়স্ক প্রাপক ও প্ররক: একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যে অনলাইন বা অফলাইনে মানিগ্রাম সেবা ব্যবহার করতে পারে, সে একটি প্রদত্ত মানিগ্রাম সংস্থার কাছে যায়।

২. অর্থ প্রেরণ: মানিগ্রাম সেবা প্রদানকারী প্লাটফর্মের মাধ্যমে মানুষের অর্থ প্রেরণ করে। আপনি যে কাউকে অনলাইনে অর্থ পাঠাতে চান, সেই প্লাটফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেন। যেমনঃ একজন বাংলাদেশীর কাছে টাকা পাঠাতে হলে তার এন আই ডি তে যে নাম আছে সেটি দিবেন।

৩. অর্থ গ্রহণ: অর্থ প্রেরণের পর প্রাপ্তকৃত অর্থ গ্রহণের জন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে বা নিকটস্থ এজেন্টের কাছে যেতে হতে পারে। মানি ট্রান্সফার করার সময় সাধারণভাবে আবশ্যক তথ্য যেমন ট্রান্সফার এক্সপিরি কোড (টিএসসি), প্রাপকের নাম, ঠিকানা, এন আই ডি ইত্যাদি দরকার পড়ে।

৪. পেমেন্ট অনুমোদন: ট্রান্সফারের জন্য সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার পর পেমেন্ট অনুমোদন করা হয়। প্রায় সেই সময়ে পেমেন্ট প্রক্রিয়া শেষ হয় এবং অর্থ প্রাপ্তির জন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে বা আদের নিকটস্থ বিক্রেতার কাছে প্রেরণ হয়।

এই প্রক্রিয়াটি সিকিউর, এতে ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ, সম্প্রদায়ের মান এবং ট্রান্সফারের সময় নিরাপদ হয়। সাধারণভাবে, বিভিন্ন মানিগ্রাম সেবা দাতা এবং ব্যবহারকারীরা সেকিউরিটি প্রয়োগ করে প্রক্রিয়াটি নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে।

তো এই ছিল আজকের পোষ্ট। এই মাধ্যম ব্যবহার করে বিদেশ থেকে টাকা পাঠাতে পারবেন।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন ফরম 2023

Leave a Comment